আবরার হ’ত্যা মামলা: এজাহারভুক্ত আরেক আসামি গ্রেপ্তার

0

সময় এখন ডেস্ক:

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হ’ত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হোসেন মোহাম্মদ তোহাকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে গাজীপুরের মাওনা থেকে তোহাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

তোহা বুয়েটের এমই বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র। তিনি এ মামলার মামলার ১১ নম্বর আসামি।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মাসুদুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, তোহাকে আটকের পর ডিবি কার্যালয়ে আনা হচ্ছে। আবরার হ’ত্যা মামলার ১১ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি সে।

আবরার হ’ত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে এজাহারনামীয় ১২ জন এবং এজাহার বহির্ভূত ৪ জন।

ভিডিও ফূটেজ দেখে এ পর্যন্ত ১৮ জনকে খু’নের সঙ্গে জড়িত বলে চিহ্নিত করা গেছে।

চিহ্নিতরা হলেন- মেহেদী হাসান (কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ১৩তম ব্যাচ), মুহতাসিম ফুয়াদ (১৪তম ব্যাচ, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ), অনীক সরকার (কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ১৫তম ব্যাচ), মেহেদী হাসান রবিন (কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৫তম ব্যাচ), ইফতি মোশারফ হোসেন (বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৬তম ব্যাচ), মনিরুজ্জামান মনির (পানিসম্পদ বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ),

মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন (মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৫তম ব্যাচ), মাজেদুল ইসলাম (এমএমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মোজাহিদুল (ইইই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), তানভীর আহম্মেদ (এমই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), হোসেন মোহাম্মদ তোহা (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), জিসান (ইইই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), আকাশ (কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ),

শামীম বিল্লাহ (মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), শাদাত (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), তানীম (কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মোর্শেদ (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ) এবং মোয়াজ মনতাসির আল জেমি (এমআই বিভাগ)।

প্রসঙ্গত, রবিবার দিবাগত গভীর রাতে বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (ইইই) বিভাগের ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের মরদেহ বুয়েটের শেরে-বাংলা হল থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। অভিযোগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মারধ’রে তিনি মা’রা যান।

শেয়ার করুন !
  • 62
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply