ঢাবি-বুয়েট-রাবি-চবি-জাবি’র হলগুলোতে গেস্টরুম বা টর্চার সেল-এ যা ঘটে

0

সময় এখন ডেস্ক:

দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হলগুলোর গেস্টরুম এখন সাধারণ ছাত্রদের কাছে রীতিমতো আত’ঙ্কের বিষয়। তাদের কাছে এখন গেস্টরুমের অন্য নাম টর্চার সেল। কখন কার গেস্টরুমে ডাক পড়ে- এ নিয়েই সর্বক্ষণ আত’ঙ্কে ভুগতে হয় ১ম ও ২য় বর্ষের ছাত্রদের। অনেক সময় ৩য় ও ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিরু’দ্ধেও বিচার-শালিস হয় গেস্টরুমগুলোয়।

হলে আবাসিক কিংবা দ্বৈতাবাসিক ছাত্রদের অতিথিদের জন্য এসব গেস্টরুম যতটা না ব্যবহার হয় তার চেয়ে বেশি ব্যবহার হয় রাজনৈতিক কাজেই। ছাত্রদের প্রতিটি হলে থাকা এসব গেস্টরুমের নিয়ন্ত্রক এখন বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের গ্রুপ। অবশ্য গেস্টরুম থেকে সিদ্ধান্ত দিয়ে বিভিন্ন কক্ষে পাঠিয়ে নির্যা’তনের ঘটনাও ঘটছে অহরহ। দু-একটি ঘটনা বাদে এসবের বিরু’দ্ধে ব্যবস্থা নিতে কখনই তৎ’পরতা দেখায় না বিশ্ববিদ্যালয় বা হল প্রশাসন। বরং দেখেও না দেখার ভান করে তারা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোয় গত দু-তিন দশক ধরে চলে আসছে ‘গেস্টরুম সংস্কৃতি’। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া নবীন শিক্ষার্থীদের বলপূ’র্বক নির্দিষ্ট ছাত্র সংগঠনের মতাদর্শের করে নেওয়াই এর উদ্দেশ্য। এখন ক্ষমতাসীন ছাত্রলীগের ছত্রচ্ছা’য়ায় চলছে গেস্টরুম সংস্কৃতি। সাধারণত আয়োজন করে গেস্টরুমে নেওয়া হয় ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের। সেখানেই শিক্ষার্থীদের বসিয়ে বা দাঁড় করিয়ে রেখে বিভিন্ন ধরনের হুম’কি-ধম’কি দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষার্থীই যেন তাদের বিরু’দ্ধে কথা বলতে না পারে, এজন্যই গেস্টরুমের ব্যবস্থা।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ম বর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের একটি বিশাল অংশ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে আসে। রাজধানী ঢাকায় মেস ভাড়া করে থাকা তাদের অনেকের পক্ষে ক’ষ্টকর। ফলে বাধ্য হয়ে বিশাল অংশের শিক্ষার্থীকে হলে থাকতে হয়। আর এ সুযোগটিই নেয় দেশের ক্ষমতায় থাকা দলের ছাত্র সংগঠন। ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের দখল করা কিছু রুমে গাদাগাদি করে থাকতে দিয়ে (গণরুম) তাদের দ্বারা দলীয় কর্মসূচি করিয়ে নেয় সংগঠনগুলো।

১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের গেস্টরুমে নেন ২য় বর্ষের শিক্ষার্থীরা। এতে শিক্ষার্থীদের ‘ম্যানার’ বা ‘শিষ্টা’চার’ শেখানোর নাম করে কৈ’ফিয়ত নেওয়া হয় সে কতটা অনু’গত হলো তার। গেস্টরুমে একজন শিক্ষার্থী তার সিনিয়রদের তথা’কথিত নিয়ম মেনে সালাম দিয়েছেন কিনা, দিনের কোনো কর্মসূচিতে অ’নুপস্থিত ছিলেন কিনা, ২য় বর্ষের ভাইদের ডি’ঙিয়ে কেউ ৩য় বর্ষ বা তার ওপরের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন কিনা ইত্যাদি নানা বিষয়ে কৈ’ফিয়ত চাওয়া হয়।

এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের শারীরিক গঠন, পোশাক, আচরণ ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বা’জে মন্তব্য ও অ’শ্লীল ভাষায় গালিগা’লাজ করে জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থীরা। কোনো শিক্ষার্থীর ‘ম্যানারে’ কোনো ত্রু’টি পাওয়া গেলে তাকে মারধ’রও করা হয়। আর কোনো শিক্ষার্থী যদি তাদের সংগঠন ছাড়া অন্য কোনো মতাদর্শের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে তার কপালে শনি নেমে আসে।

শিবির অপ’বাদ দিয়ে বেধ’ড়ক মারধ’র করে তাকে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়। মা’রাত্মক কোনো অপরাধের জন্য নেওয়া হয় মিনি গেস্টরুমে। এতে একজন শিক্ষার্থীকে তার কয়েকজন সিনিয়র মিলে জিজ্ঞাসা’বাদ করা হয়। আর গেস্টরুম শেষে তাকে মারধ’র করা হয়। তবে এসব ঘটনা নিয়ে মুখ খোলেন না কোনো শিক্ষার্থী। কারণ, মুখ খোলাও বিবেচনা করা হয় চ’রম অপরাধ হিসেবে। প’রিণামে মা’র খাওয়ার পাশাপাশি হলে অবস্থানের সুযোগ হারান শিক্ষার্থীরা।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জসীমউদ্দীন হলে এক শিক্ষার্থীর অ’স্ত্রোপচারের জায়গা ও পেটে লা’থি মা’রার মতো ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় হল প্রশাসন ২ শিক্ষার্থীকে হল থেকে আজীবন বহি’স্কার করে। (যদিও তারা এখনো হলে আছেন।) একই বছরের ২৩ মে দিবাগত রাতে একটি কর্মসূচিতে না যাওয়ায় জিয়াউর রহমান হলের ১ম বর্ষের ৩৫ জন ছাত্রকে গেস্টরুমে মারধ’র করেন হল শাখা ছাত্রলীগ নেতারা।

গত ২৫ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হলে ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী ছাত্রলীগের একটি কর্মসূচিতে অ’নুপস্থিত থাকার বিষয়ে ৩য় বর্ষের একজন থেকে ছুটি নেওয়ায় মিনি গেস্টরুমে ডেকে তাকে মারধ’র করেন ২য় বর্ষের আরাফাত হোসেন অভি। গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর শিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার পাওয়ায় রাসেল নামে বিজয় একাত্তর হলের এক শিক্ষার্থীকে বে’ধড়ক মারধ’র করে পুলিশে দেন শাখা ছাত্রলীগের কর্মীরা।

শীতের রাতে দাঁড়িয়ে গেস্টরুম করানোর ধ’কল সহ্য করতে না পেরে ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি নিউমোনিয়ায় আক্রা’ন্ত হয়ে সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের ছাত্র হাফিজ মোল্লা মা’রা যান। এ ঘটনা তখন ব্যাপক আলোড়িত হয়। তার পরও থামেনি গেস্টরুম নির্যা’তন। ডাকসু নির্বাচনের পরও থামেনি এই সংস্কৃতির চর্চা। কোনো কোনো হলে হল সংসদের নির্বাচিত ছাত্রলীগ নেতাদের তত্ত্বাবধানেই গেস্টরুম হয়।

রাজশাহীতে ছাত্রলীগ ব্লক মানেই আত’ঙ্ক:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হলে রয়েছে ছাত্রলীগ ব্লক। সেই ব্লকগুলোয় শুধু ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরাই অবস্থান করেন। অভিযোগ রয়েছে, এসব ব্লকের একেকটি কক্ষ ছাত্রলীগের টর্চার সেল। এ ছাড়া ছাত্রলীগ নেতারা টাকা উপার্জনের হাতিয়ারও বানিয়েছেন হলগুলোকে। সিট বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রতি মাসে হাতিয়ে নিচ্ছেন মোটা অঙ্কের টাকা।

কোনো শিক্ষার্থী টাকা না দিয়ে হলে উঠলে, তাকে নেতাদের কক্ষে ডেকে করা হয় জিজ্ঞাসা’বাদ। মারধ’রও করা হয় অনেক সময়। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, হলগুলোয় ছাত্রলীগের কাছে জিম্মি হয়ে আছেন শিক্ষার্থীরা। ছাত্রলীগ নেতাদের দখ’লদারিত্বে অ’সহায় দায়িত্বরত প্রভোস্টরাও। নেতাদের নির্দেশনা না মানলে শিবির আখ্যা দিয়ে চলে মারধ’র। চলতি বছরে শিক্ষার্থীদের প্রকাশ্যে শিবির স’ন্দেহে মারধ’র করা না হলেও, গত বছর পর্যন্ত প্রতিনিয়ত আত’ঙ্কে ছিলেন শিক্ষার্থীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় কয়েকজন শিক্ষার্থী দল বেঁধে মুন্নুজান হলের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী ১৪ জন শিক্ষার্থীকে বঙ্গবন্ধু হলের ২৩৩ নম্বর কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তাদের ১ ঘণ্টা আটকে রেখে মারধ’র ও জিজ্ঞাসা’বাদের পর ৪ জনকে পুলিশে দেন। এর আগে কোটাবিরো’ধী আন্দোলন চলাকালে ৪ জুলাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূ’ক্তি করায় গানের তালে তালে এক শিবির কর্মীকে শিক্ষার্থীকে বেধ’ড়ক মারধ’র করেন ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা।

২০১৮ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি বিকালে কয়েকজন শিক্ষার্থী শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বসে গল্প করার সময় ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী ৯ জন শিবির কর্মীকে জো’র করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে নিয়ে যান। সেখানে তাদের বেধ’ড়ক মারধ’র করা হয়। ২০১৭ সালের ৯ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হলের বিভিন্ন কক্ষ থেকে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা ১২ জনকে আটক করে বেধ’ড়ক মারধ’র করেন। ভোর ৪টার দিকে রক্তা’ক্ত অবস্থায় তাদের পুলিশে দেওয়া হয়।

চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের শিবির ম্যানিয়া:

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবির শাস’নের অবসানের পর পুরো ক্যাম্পাসের দখল নেয় ছাত্রলীগ। এরপর শিবির স’ন্দেহ হলেই মারধ’র করতে থাকে। ২০১৫ সালের পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিবির স’ন্দেহে সাধারণ শিক্ষার্থী নির্যা’তন নিত্যদিনের ঘটনা। গত ৪ বছরে ছাত্রলীগের ম্যানিয়ার পরে হাম’লার শি’কার হয়েছেন কম করে হলেও অর্ধশত সাধারণ শিক্ষার্থী।

সর্বশেষ চলতি বছরের ২৫ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল হলের নিচতলায় শিবির কর্মী স’ন্দেহে নুরুল ইমলাম নামে এক ছাত্রকে বেধ’ড়ক মারধ’র করেন ছাত্রলীগ কর্মীরা। এতে রডের আঘা’তে গুরু’তর আহত হন তিনি। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। মারধ’রের শি’কার শিক্ষার্থী নুরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র।

২০১৮ সালের ৭ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী শোয়াইবুল হককে এ এফ রহমান হলের ১২৯ নম্বর রুমে নিয়ে ব্যাপক নির্যা’তন চালানো হয়। টানা ২ ঘণ্টা মারধ’রের পর পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। পুলিশ তদন্ত করে তার শিবির সংশ্লিষ্টতা পায়নি। একই বছরের ২৯ জানুয়ারি ছাত্রলীগবিরো’ধী স্ট্যাটাস দেওয়ায় চবি সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদককে বেধ’ড়ক মারধ’রে আহত করা হয়। এ ছাড়া ২০১৭ সালের ৯ আগস্ট শিবির কর্মী হওয়ার কারনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১১-১২ সেশনের শিক্ষার্থী খোকন মিয়াকে মারধ’র করা হয়।

জাহাঙ্গীরনগরের রুমগুলোয় ভিক্টিমের আর্তচিৎকার:

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোর বিভিন্ন কক্ষ টর্চার সেল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, হলগুলোয় ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের নেতাদের নিজেদের মতো করে এই টর্চার সেলের স্ট্রাকচার তৈরি হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এ রুমগুলোর অবস্থান দোতলায়। রুমের ভিতরে ট্রাংকের মধ্যে বা খাটের নিচে থাকে রড, বেতের লাঠি, ভাঙা গ্রিল, হকিস্টিক, রাম’দা, মদের বোতল প্রভৃতি।

মদের বোতলে পানি পান ও ধুমপান সাধারণ ঘটনা। রুমের জানালার গ্রিল ও কাঁচ থাকে ভাঙা। উদ্দেশ্য- বি’পদের সময় সহজে লাফিয়ে পলায়ন। দলীয় কর্মসূচি ও শোডাউনে, মিছিলে না যাওয়া, বিরো’ধী মত প্রকাশ, নেতাকে না চেনা, পত্রিকা রুমে সিনিয়রের সামনে পত্রিকা পড়া, এমনকি সালাম না দেওয়ার মতো ঘটনায়ও এসব রুমে চলে অ’কথ্য নির্যা’তন।

পরিচয়ে ছাত্র হলেও হল প্রশাসন কিংবা ভ্রাম্যমাণ আদালতের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় তারা। জুনিয়রদের রাজনীতিতে অন্তর্ভুক্তি, অন্যদের জন্য ভ’য়ের পরিবেশ সৃষ্টি, হলে নিজেদের অবস্থান তৈরীসহ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে এসব নির্যা’তন চলে। সন্ধ্যার পর, কখনো মধ্যরাতে এ রুমগুলো কেঁপে ওঠে ভিক্টিম কোনো ছাত্রের আ’র্তচিৎকারে। আশপাশের রুমে ছড়িয়ে পড়ে ভ’য়ের বার্তা।

জানা গেছে, জাবিতে সাধারণত শারীরিক ও মানসিক দুই ধরনের নির্যা’তনই চলে। কখনো মানসিক নির্যা’তনের কাছে হার মানে শারীরিক নির্যা’তন।

টর্চার সেলের সঙ্গে ছাত্রলীগ পরিচিত নয়, দাবি সাধারণ সম্পাদকের:

শোকর‌্যালি শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, টর্চার সেলের সঙ্গে ছাত্রলীগ পরিচিত নয়। ছাত্রলীগের কেউই এ সম্পর্কে জানে না। একটি মহল চক্রা’ন্ত করে ছাত্রলীগের নামে বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে।

তিনি বলেন, বুয়েটে ছাত্র হ’ত্যার ব্যাপারে ছাত্রলীগ তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছে। ওই ঘটনা ছাত্রলীগের সিদ্ধান্তে হয়নি। বেশ কয়েকজন ব্যক্তির সিদ্ধান্তে এ ঘটনা ঘটেছে। তাদের বিরু’দ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

শেয়ার করুন !
  • 27
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply