বুয়েটের ছাত্ররাজনীতি নিয়ে নাক গলাবো না: কোটা নুরু

0

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) সাংগঠনিক ছাত্র রাজনীতি বন্ধের ঘোষণাকে প্রতিষ্ঠানটির ‘নিজস্ব ব্যাপার’ বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরু।

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন তিনি।

বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি বন্ধের ব্যাপারে নিজেদের অবস্থান জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে কো’টা আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’।

সংবাদ সম্মেলনে সাধারণ ছাত্র পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুরু বলেন, একটি প্রতিষ্ঠান বা বিশ্ববিদ্যালয় তার স্বার্থে যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে, এটি তাদের নিজস্ব ব্যাপার। আমরা এতে নাক গলাবো না।

তিনি বলেন, আজ ছাত্র রাজনীতি বন্ধের দাবিটি কেন উঠেছে? এটা হয়েছে ক্ষ’মতাসীন ছাত্র সংগঠনের স’ন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ফলে। ছাত্র রাজনীতি নয় বরং লেজু’ড়ভিত্তিক স’ন্ত্রাসী ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করা উচিত।

সংবাদ সম্মেলনে সাধারণ ছাত্র পরিষদে’র পক্ষ থেকে ৫ দফা দাবি জানানো হয়।

দাবিগুলো হলো- আবরার হ’ত্যাকাণ্ডসহ সকল ছাত্রহ’ত্যার বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে সম্পন্ন করা, নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস বি’নির্মাণে হলে হলে গণরুম, গেস্টরুম ও ছাত্র সংগঠনের দখ’লদারিত্ব বন্ধ করে প্রশাসনের মাধ্যমে ১ম বর্ষ থেকে সিট বণ্টনের ব্যবস্থা করা,

সকল বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন দেওয়া, ভারতের সাথে করা সকল স্বার্থবিরো’ধী চুক্তি অ’নতিবিলম্বে বাতিল করা এবং শিক্ষার্থী বান্ধব প্রশাসন নিশ্চিতকরণে উপাচার্যসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ পদে দল’নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়োগ দিয়ে প্রশাসনকে রাজনৈতিক প্রভা’বমুক্ত রাখা প্রভৃতি।

এ সময় ডাকসু ভিপি আরও বলেন, বুয়েটের শিক্ষার্থীরা কিন্তু ছাত্র রাজনীতি বন্ধের দাবি জানায়নি। বরং সাংগঠনিক ছাত্র রাজনীতি বন্ধের দাবি জানিয়েছে। আমি মনে করি, এর মাধ্যমে তারা স’ন্ত্রাসী এবং লেজু’ড়ভিত্তিক ছাত্র রাজনীতিকেই বুঝিয়েছে। আমরা শুধু ছাত্রলীগ নয়, লে’জুড়ভিত্তিক রাজনীতি করে এমন সব ছাত্র সংগঠনকে বন্ধের দাবি জানাই।

নুরু বলেন, ‘৯০ পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ছাত্র সংগঠনকে ব্যবহার করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছে। এর ফলস্বরুপ, আজ আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাঁদা’বাজি, টেন্ডারবাজি এসব দেখছি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন, ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন, যুগ্ম-আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান, ফারুক হাসানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন !
  • 219
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply