কাজের নিশ্চয়তা ছাড়া সৌদি না যেতে পরামর্শ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

0

সময় এখন ডেস্ক:

কাজের নিশ্চয়তা না পেলে শ্রমিকদের সৌদি আরবে না যাওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

শনিবার দুপুরে সিলেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, গত কয়েক বছরে সৌদি আরবে অনেকগুলো কর্মক্ষেত্র বন্ধ হয়ে গেছে। তাদের অর্থনীতিও ভালো অবস্থায় নেই। যেসব শ্রমিকের আকামা (কাজের অনুমতিপত্র) নেই তাদের ফেরত পাঠাচ্ছে সৌদি আরব সরকার।

অনেক ট্রাভেল এজেন্সি অ’বৈধভাবে বিদেশে লোক পাচা’র করছে জানিয়ে মোমেন বলেন, অনেক এজেন্সি মানুষকে ভুল তথ্য দিয়ে আদমপা’চার করছে। আর এসব এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশ গিয়ে কাজ না পেয়ে বি’পাকে পড়েন শ্রমিকরা।

অ’বৈধ মানবপা’চারে জড়িত এজেন্সিগুলোর বিরু’দ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক মন্ত্রণালয়কে আহ্বান জানান মন্ত্রী।

ভারত সীমান্তে মানুষ হ’ত্যা কমে আসছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত হ’ত্যা আগের যে কোন সময়ের চেয়ে অনেক কম। ২০০২ সালে যেখানে বছরে ১৬৪ জন হ’ত্যার শিকা’র হয়েছিল, এখন তা হাতেগোনা কয়েকজন। সীমান্ত হ’ত্যা বন্ধে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ডিপ্লোম্যাটিক প্রচেষ্টা অ’ব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশের অ’বৈধভাবে ভারতে সীমান্তে অনু’প্রবেশের তথ্য রয়েছে জানিয়ে মোমেন বলেন, অনেক বাংলাদেশি চোরাচা’লান করতে ভারতে চলে যান, তখন সেখানে নানা অনা’কাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। চোরাচা’লান ও অনু’প্রবেশ বন্ধ করা গেলে সীমান্ত হ’ত্যা বন্ধ হয়ে যাবে।

ফেনী নদীর পানি দিয়ে বাংলাদেশ মহানুভবতা দেখিয়েছে দাবি করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বলেন, ভারতের একটি শহরের ৬ হাজার লোকের পানের জন্য বাংলাদেশ মাত্র ১.৮২ কিউসেক পানি দিয়েছে। এখন পানি নেয়ার বিষয়টি একটি ফ্রেমের মধ্যে এসেছে।

আগে ভারত টিউবওয়েল ও পাম্প বসিয়ে এর চেয়ে বেশি পানি নিয়ে যেত। এখন একটি সীমাব’দ্ধতা হয়েছে। নির্ধারিত পরিমাণের বেশি পানি যাতে নদী থেকে না উঠে সেজন্য ভারত সরকার দেখভাল করবে।

মন্ত্রী বলেন, ফেনী নদীর পানি দিয়ে ভারত সরকারকে দায়ব’দ্ধতার মধ্যে ফেলা গেছে। আমরা দেখিয়ে দিয়েছি, তোমরা তিস্তা নদীর পানি না দিলেও আমরা তোমাদের মতো আচরণ করিনি। ভারতের অনেকেই বাংলাদেশের এই মহানুভবতার প্রশংসা করছে। তারা বাংলাদেশকে অনুসরণ করতে ভারত সরকারকে পরামর্শ দিচ্ছেন।

এ সময় সিলেট সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক, সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি, সাধারণ সম্পাদক মুশফিক জায়গীরদার উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন !
  • 697
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply