ধ্বং’স করা হলো পাকি-ভারত যু’দ্ধের সময়কার স্থলমাইন-গ্রেনেড

0

বগুড়া প্রতিনিধি:

বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার রামপুরা গ্রামের একটি পুকুর পাড়ে মাটি খুঁড়ে পাওয়া ৬টি স্থলমাইন ও ৩টি গ্রেনেড ধ্বং’স করা হয়েছে। রোববার সকালে আদমদীঘির ছাতিয়ান গ্রামের দস্তকিরের ইট ভাটার ফাঁকা স্থানে বগুড়া সেনাবাহিনীর একটি বিশেষজ্ঞ দল এই বি’স্ফোরকগুলো ধ্বং’স করে। প্রচণ্ড শব্দে সেগুলো বি’স্ফোরিত হলে পুরো এলাকা প্রক’ম্পিত হয়ে ওঠে।

বিশেষজ্ঞ টিমের প্রধান বগুড়া ১১ পদাতিক ডিভিশনের ক্যাপ্টেন আরিফ মোহাম্মদ কনক বলেন, বি’স্ফোরকগুলো অনেক পুরনো। কিন্তু এতোদিন মাটির নিচে থাকার পরও কার্যক্ষমতা হারায়নি। গ্রেনেড ও স্থলমাইনগুলো পাকিস্থানি আমলের বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এগুলো বি’স্ফোরণের আশ’ঙ্কা ছিল। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেত। গ্রেনেড ও স্থলমাইনগুলো উদ্ধারের পর আমাদের টিম এগুলো ধ্বং’স করেছে। ফলে আর কোনো দুর্ঘটনার আশ’ঙ্কা নেই।

গতকাল শনিবার বিকেলে আদমদীঘির রামপুরা গ্রামে ৫/৬টি শিশু পুকুর পাড়ে খেলা করছিল। সন্ধ্যায় ইউসুফ নামে এক শিশু ধান কা’টার কাঁস্তে দিয়ে মাটি খোঁড়ার সময় এই স্থলমাইন ও গ্রেনেড দেখতে পায়। সেখান থেকে একে একে ৯টি স্থলমাইন ও গ্রেনেড বের হয়। শিশুরা খেলনা ভেবে এগুলো নাড়াচাড়া করছিল।

গ্রামবাসীরা এসব দেখতে পেয়ে একটি বালতির পানিতে ডুবিয়ে রাখেন। পরে থানায় খবর দিলে রাতে পুলিশ সেগুলো উদ্ধার করে। এসব স্থলমাইন ও গ্রেনেডের গায়ে ১৯৬৫ সাল লেখা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে গত ২ দিনের বৃষ্টিতে পুকুরের ওই স্থানের মাটি সরে যাওয়ায় এগুলো বের হয়।

রামপুরা গ্রামের ইনছের আলী বলেন, শিশুদের কাছে আমি প্রথমে এগুলো দেখতে পাই। আমার দেখেই সেগুলো তাজা বলে সন্দেহ হলে গ্রামবাসীকে বলি। পরে সবাই এসে সেগুলো পানিতে ডুবিয়ে রাখার পর থানায় খবর দেই।

আদমদীঘি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দীন জানান, খবর পেয়ে বি’স্ফোরকগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে সেনাবাহিনীর টিম এসে সেগুলো ধ্বং’স করে।

শেয়ার করুন !
  • 64
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply