মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪ হাজার ২৫০ কোটি টাকা

0

অর্থনীতি ডেস্ক:

মৎস ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৪ হাজার ২৫০ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেছে।

বুধবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ৮ম বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়।

কমিটির সভাপতি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য বি এম কবিরুল হক, মো. শহিদুল ইসলাম (বকুল), ছোট মনির, নাজমা আকতার, মোছা. শামীমা আক্তার খানম এবং কানিজ ফাতেমা আহমেদ অংশ নেন।

বৈঠকে জানানো হয়, গত অর্থবছরে ৭৩ হাজার ১৭১ মেট্রিক টন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১৪টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, বাস্তবায়ন অগ্রগতি ৯৮.৮৩ শতাংশ। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৯টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে বলে জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

বৈঠকে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের অবদান ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশের জিডিপির ৩.৫০ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপির ২৫.৭১ শতাংশ মৎস্য খাতের অবদান।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ২০১৮ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ জলাশয়ে মৎস্য আহরণে বাংলাদেশের অবস্থান সারা বিশ্বে ৩য় এবং চাষকৃত মাছ উৎপাদনে ৫ম। ইলিশ আহরণে বিশ্বে ১ম বাংলাদেশ।

কমিটি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল সৃষ্টির লক্ষ্যে পদক্ষেপ নিতে সুপারিশ করা হয়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণসহ মন্ত্রণালয় ও সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যবান্ধব দেশ হিসেবে ৮ ধাপ অগ্রগতি বাংলাদেশের

বিভিন্ন ধরনের সংস্করণের দরুণ ৮ ধাপ এগিয়ে বিশ্বব্যাংকের ব্যবসা সহজীকরণ সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৬৮তম। ১৯০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের এ অবস্থান। এর আগের বছরে ১৭৬তম অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ। ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপের (ডব্লিউজি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ব্যবসা সহজীকরণের ১০টি ক্ষেত্রের মধ্যে অন্তত ৩টিতে অগ্রগতি দেখা দেয়ায় ২০টি অর্থনীতির মধ্যে বাংলাদেশকে রেখেছে এই বৈশ্বিক ঋ’ণদাতা সংস্থাটি।

নামের ছাড়পত্র দেয়া, নিবন্ধন ফি কমানো ও ডিজিটাল সনদপত্রের ফি বিলোপের মাধ্যমে বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু সহজ করা হয়েছে। উপযোগিতার ক্ষেত্রে ডিজিটালকরণ প্রক্রিয়া ও মানবসম্পদের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ। নতুন সংযোগের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা আমানতের পরিমাণও কমানো হয়েছে। এ ছাড়া ঋ’ণ তথ্যে প্রবেশ সহজ করে দিয়েছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ ঋ’ণ তথ্য ব্যুরোর (সিআইবি) কার্যক্রমের আওতা বেড়েছে। সেখানে এখন যে কোনো পরিমাণের লোনের ৫ বছরের তথ্য সহজেই পাওয়া যায়।

সূচকে উন্নতির কারণ হিসেবে বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশে উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া আগের চেয়ে সহজ হয়েছে।

বিদ্যুৎ-সংযোগ ও ঋ’ণপ্রাপ্তির দিক থেকেও বাধা কমেছে। দেশে নতুন কোম্পানি নিবন্ধনে খরচ কমেছে। ডিজিটাল সনদ পেতে কোনো ফি দিতে হচ্ছে না। শেয়ার ক্যাপিটালের ভিত্তিতে রেজিস্ট্রেশন ফিও কমানো হয়েছে।

শেয়ার করুন !
  • 3.2K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!