পাখির ঝুঁ’কিতে শাহজালাল বিমানবন্দর, নেই কার্যকর উদ্যোগ

0

ফিচার ডেস্ক:

হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের পাশের লেক লিজ দিয়ে করা হয় মাছ চাষ। আছে প’রিত্যক্ত ডোবা-নালা, আবর্জনা; আছে রানওয়ের সবুজ ঘাস, যা আকৃষ্ট করে পাখিদের। প্রতিদিনই মাছ আর কীটপতঙ্গ খেতে এখানে হাজির হয় ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি। রানওয়েতেও চলে আসে তারা। ফলে আন্তর্জাতিক এ বিমানবন্দরে কোনো উড়োজাহাজ ওঠানামা করতে গেলে পাখির সঙ্গে আঘা’ত লাগার আশ’ঙ্কা বেশি থাকে।

প্রায় প্রতিদিনই পাখির সঙ্গে বিমানের আঘা’ত বা বার্ড স্ট্রাইকের মতো বড় দুর্ঘটনার ঝুঁ’কি নিয়ে ২৫০ ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দর দিয়ে। এ বন্দর ব্যবহার করছেন প্রায় ২০ হাজার যাত্রী। তাদের জীবনহা’নির কারণ হতে পারে এ বার্ড স্ট্রাইক। ইতোমধ্যে শতাধিক ফ্লাইট শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে। পাইলটদের দক্ষতায় বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত বার্ড স্ট্রাইকের কারণে কোনো প্রাণহা’নির ঘটনা না ঘটলেও শ’ঙ্কা রয়েছে বড় দুর্ঘটনার।

সম্প্রতি শাহজালাল থেকে উড্ডয়নের পর পাখির আঘা’তে জরুরি অবতরণ করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজ ‘ময়ূরপঙ্খী’। ফ্লাইট নম্বর বিজি ০৮৪ সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে ঢাকা থেকে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা দেয় কিন্তু পাখির আঘাতে তা ৯টা ২০ মিনিটে জরুরি অবতরণ করে। পরে সব যাত্রীকে সাড়ে ১০টার একটি বিশেষ উড়োজাহাজে সিঙ্গাপুর পাঠানো হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে উড্ডয়নরত উড়োজাহাজে পাখির আঘা’তের বেশ কয়েকটি ঘটনা সংবাদ শিরোনাম হয়েছে। এমন ঘটনার সুনির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান পাওয়া না গেলেও ২০১১ সালে শুধু বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সই ১০টি বার্ড স্ট্রাইকের শি’কার হয়। ২০১২ সালে ৬টি, ২০১৪ সালে ১৫টি ফ্লাইট এমন ঘটনায় জরুরি অবতরণ করে।

অভিযোগ উঠেছে, বড় দুর্ঘটনার আশ’ঙ্কা থাকলেও বার্ড স্ট্রাইকের এমন ঘটনা ‘পাত্তা দিচ্ছে না’ সিভিল এভিয়েশন বা বিমান মন্ত্রণালয়ের মতো কর্তা প্রতিষ্ঠান। একদিকে পাখি তাড়াতে জোড়াতালি পদ্ধতির ব্যবহার করছে তারা, অন্যদিকে তাদের কারণেই বারবার ঘুরে ফিরে শাহজালালের আশপাশে অবস্থান নিচ্ছে পাখি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ২ বছর আগে ‘পাখি তাড়ানোর কমিটি’ করেও সমস্যার বিন্দুমাত্র সমাধান মেলেনি। বড় দুর্ঘটনার অপেক্ষায় যেন নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছেন তারা!

ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন (আইকাও) বলছে, ১৯৬৫ সাল থেকে এখন পর্যন্ত পৃথিবীর মোট ১৯০টি দেশে প্রায় ৮৩ হাজার বার্ড স্ট্রাইকের ঘটনা ঘটেছে। এসব সংঘ’র্ষের কারণে নড়েচড়ে বসে বিশ্বের সিভিল এভিয়েশনগুলোর অভিভাবক সংগঠনটি। বার্ড স্ট্রাইক রো’ধে গাইডলাইন তৈরি করে দেয় তারা। তবে সেটির তোয়াক্কা না করে ‘জোড়াতালি পদ্ধতিতে’ পাখি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে বাংলাদেশের সিভিল এভিয়েশন অথরিটি (বেবিচক)।

অনুসন্ধান ও সরেজমিন পরিদর্শনে জানা গেছে, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে থেকে ৩ কিলোমিটার দূরত্বে নিকুঞ্জ লেক। এ লেকের কারণেই বিমানবন্দরে আসছে ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি এবং বড় মাপের রয়েল ঈগল। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে লেকটিতে মাছ চাষের ইজারা দেয় সিভিল এভিয়েশন। সেই মাছ খেতে সেখানে আসে ঈগলের মতো বড় আকারের দূর পাল্লায় উড়তে সক্ষম পাখি।

দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, কয়েক বছর ধরে বিমানবন্দরের আশপাশের লেকগুলোতে মাছ থাকার কারণে ঈগলসহ অতিথি পাখি আসে। চাষের ইজারা অন্যদের দিলেও সিভিল এভিয়েশন কর্মকর্তারা প্রায়শই এখান থেকে মাছ সংগ্রহ করেন। এ আগ্রহের কারণে দীর্ঘদিন ধরে মাছ চাষ বন্ধ হয়নি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সিভিল এভিয়েশন বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের নির্মাণকাজ শুরু করে। এজন্য সেখানকার ডোবা ও লেকের অংশবিশেষ ভরাট করা হয়। এরপরও অভ্যাসবশত মাছ খুঁজতে আসে পাখি। ফলে দুর্ঘটনার শ’ঙ্কা থেকেই যায়।

আইকাও’র নির্দেশনা অনুযায়ী, উড্ডয়ন ও অবতরণের সময় উড়োজাহাজগুলো কম উচ্চতায় নেমে আসে। এ কারণে বার্ড স্ট্রাইকের আশ’ঙ্কা থাকে। বিমানবন্দরের আশপাশে কোনো ডোবা-নালা-লেক, আবর্জনার স্তূপ থাকতে পারবে না। তবে সরেজমিন শাহজালাল বিমানবন্দরের রানওয়ে থেকে মাত্র ১ কিলোমিটার দূরত্বে বাউনিয়া, উত্তরা, আবদুল্লাহপুর ও টঙ্গী এলাকায় অসংখ্য জলাশয়, ডোবা-নালা ও ময়লার স্তূপ দেখা গেছে। মাছ ছাড়াও এসব জলাশয়ের কীটপতঙ্গ, জলজ উদ্ভিদ পাখিদের প্রিয় খাবার। এসব স্থানে কাকসহ নানা ধরনের পাখির বিচরণ দেখা যায়।

রানওয়ের পশ্চিম ও দক্ষিণ পাশের ধলিপাড়া, বাউনিয়া, আহলিয়া, বেড়িবাঁধ রোড, বটতলা রোডে অসংখ্য ডোবা, ঘাস ও ঝোপঝাড় লক্ষ্য করা গেছে। অথচ বিমানবন্দরের ভেতরেই রয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা। পাখি তাড়াতে এখন পর্যন্ত তাদের কোনো উল্লেখযোগ্য ভূমিকা দেখেনি শাহজালাল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

এদিকে পাখি নিয়ন্ত্রণে ২০১৭ সালে বাংলাদেশে ন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন ওয়াইল্ড লাইফ/ বার্ড হ্যাজার্ড কন্ট্রোল কমিটি তৈরি করেছিল ক্যাব (সার্কুলার-সিএসি-১৪-০৭)। এ কমিটির চেয়ারম্যান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহিবুল হক। এছাড়া কমিটির সদস্যরা হচ্ছেন- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের যুগ্ম সচিব, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ডিরেক্টর (অপারেশন),

বাংলাদেশ আর্মড ফোর্সেস ডিভিশনের ডিরেক্টর (অপারেশন), পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি, বিমানের এমডি, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এয়ার অপারেটর কমিটির চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি। কমিটির সদস্য সচিব বেসামরিক বিমান পরিবহনের চেয়ারম্যান মফিদুর রহমান।

২০১৭ সালে গঠিত ওই কমিটির দায়িত্ব ছিল আইকাও’র বিধিবিধান ও এয়ারপোর্ট সার্ভিস ম্যানুয়াল অনুযায়ী, ওয়াইল্ড লাইফ ও বার্ড স্টাইক সমস্যার মোকাবিলা করা, কোন ধরনের পাখি কোন মৌসুমে এবং কেন আসে- এসব বিষয় নিয়ে গবেষণা করা, বিমানবন্দর ও এর আশপাশ এলাকার ব’র্জ্য ম্যানেজমেন্ট নজরদারি করা, নিয়মিত বার্ড স্ট্রাইক নজরদারি করা, সমস্যা চিহ্নিত ও সমাধান করা, বিমানবন্দরের পুকুরের মাছ, কৃষি জমি, গরু-ছাগলের খামার, ময়লা-আবর্জনার ডাম্পিং, গলফ কোর্স, ছোট পুকুর ইত্যাদি সরিয়ে ফেলা।

তবে উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন তো দূরের কথা, কমিটির কেউ জানেন না তারা এ কমিটিতে আছেন! ২ বছরে ১ দিনও বসেননি কমিটির সদস্যরা। ঠিক করেননি কোনো কর্মপন্থা।

কমিটির কার্যক্রমের বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং কমিটির চেয়ারম্যান মো. মহিবুল হক বলেন, এমন কমিটি আছে কি-না, কাগজপত্র না দেখে বলতে পারব না। আগামীকাল অফিস টাইমে ফোন দিলে বলতে পারব।

পরদিন বিকেল ৩টা ১৮ মিনিটে তাকে ফোন দেয়া হয়। তিনি ফোন রিসিভ করে ৩০ মিনিট পর ফোন দিতে বলেন। পরে ফোন দেয়া হলে তিনি আর রিসিভ করেননি।

কমিটির বিষয়ে অন্য সদস্য বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পাইলটস অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) সভাপতি ক্যাপ্টেন মাহবুবুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই।

কমিটির সদস্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. মোকাব্বির হোসেনও জানেন না এমন একটি কমিটি রয়েছে এবং তিনি কমিটির সদস্য। কমিটির কার্যক্রমের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানি না। আমার নলেজে নেই। জানতে হবে।

বিমানবন্দরের পাখির সমস্যার বিষয়ে তিনি বলেন, পাখি নিয়ন্ত্রণে প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য অধিদপ্তর কাজ করছে। আমরা সম্প্রতি শাহজালালে বিমানের একটি অফিস রুম ওই দুই বিভাগের কর্মকর্তাদের জন্য ছেড়ে দিয়েছি। তারা পাখি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন।

কমিটির সদস্য পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. আব্দুর রহিমকে ফোন দেয়া হলে তিনি কমিটির বিষয়ে ‘কিছুই জানেন না’ বলে দাবি করেন।

আইকাও’র নির্দেশনা অনুযায়ী কমিটি করা হয়েছিল বেবিচক। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির প্রধান সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান নিজেও জানেন না এমন কমিটির বিষয়ে। তিনি বলেন, ‘এটি আমার জানা নেই।’ প্রতিবেদক হোয়াটসঅ্যাপে সার্কুলারের কপি পাঠালে পরবর্তীতে তিনি আর কোনো উত্তর দেননি।

বিমানবন্দরে পাখি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা পাখি তাড়ানোর আধুনিক প্রক্রিয়া প্রবর্তনে কাজ করে যাচ্ছি। মূলত এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। আধুনিক ডিভাইসের মাধ্যমে উচ্চ শব্দ সৃষ্টির যন্ত্রটি আমাদেরও ছিল। সম্প্রতি এটি ন’ষ্ট হওয়ায় গানম্যানদের ওপরই আমাদের নির্ভর করতে হয়। তবে বর্তমানে সিভিল এভিয়েশনের হেফাজতে থাকা বন্দুকগুলো সচল নয়। আমরা এ নিয়েও কাজ করছি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, পাখি তাড়াতে সিভিল এভিয়েশন শাহজালালে বেশকিছু উদ্যোগ নেয়। কিন্তু প্রতিটি উদ্যোগই ‘ফ্লপ’ বা ‘চরমভাবে ব্যর্থ’ হয়। আগে শাহজালালে পাখি মারতে কয়েকটি ওয়াচটাওয়ার তৈরি করে সেখানে বার্ডশুটার নিয়োগ দিয়েছিল সিভিল এভিয়েশন। ২০১৫ সালে ১০টির মধ্যে ৮টি বন্দুক ন’ষ্ট হয়ে যায়। বাকি ২টি বন্দুক দিয়েই চলছিল কাজ। সম্প্রতি ২ জন শুটার অবসরে যাওয়ায় পাখি মা’রার কোনো ব্যবস্থা এখন শাহজালালে নেই।

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিমানের ইঞ্জিনে পাখি ঢুকলে বেশি ক্ষ’তি হয়। বড় ধরনের দুর্ঘটনার পাশাপাশি পাইলটদেরও মানসিক চাপে থাকতে হয়। ইঞ্জিনের ফ্যান, ব্লেড ও স্পিনার ক্ষ’তিগ্রস্ত হয়ে বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। চলতি বছর পাখির আঘা’তে তাদের দুটি ফ্লাইট জরুরি অবতরণ করে। এতে হতাহতের ঘটনা না থাকলেও উড়োজাহাজের প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ করতে হয়।

এ বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলট ক্যাপ্টেন মাহবুবুর রহমান বলেন, আকাশে পাখি থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু রানওয়ের ওপর পাখি থাকা বিপজ্জনক। ঢাকার আকাশে বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণের সময় প্রায়ই পাইলটকে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে ইন্সট্রুমেন্টাল সাইরেন বাজিয়ে পাখি তাড়ানো হয়। রানওয়ের পাখি মারতে শুটার বা গানম্যানের কথা বারবার উঠলেও সাইরেনের প্রক্রিয়াটা অত্যন্ত পরিবেশবান্ধব।

নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মফিজুর রহমান এ প্রসঙ্গে বলেন, রানওয়ের ওপর পাখির উড্ডয়ন যাত্রী ও উরোজাহাজ উভয়ের জন্য অ-নিরাপদ। পাখি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা থাকা উচিত।

বিমানবন্দরের পরিচালক উইং কমান্ডার এ এইচ এম তৌহিদ-আল-আহসান বলেন, আগে পাখি সরিয়ে দিতে সাইরেনের ব্যবস্থা ছিল। কারিগরি সমস্যার কারণে সেটি বর্তমানে অচল। শিগগিরই আধুনিক প্রযুক্তির পরিবেশবান্ধব শব্দ নিয়ন্ত্রিত পাখি তাড়ানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। এটি প্রক্রিয়াধীন।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহিবুল হক বলেন, শুটার দিয়ে মে’রে পাখি নিয়ন্ত্রণ করা কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। আমরা একটা আধুনিক প্রকল্প হাতে নিতে যাচ্ছি। উন্নত দেশের মতো উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে, যাতে পাখি আর বিমানবন্দরে না আসে।

শেয়ার করুন !
  • 28
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply