প্রাথমিকভাবে বড় ২টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাঁটাতার ঘেরাও দেয়া হবে

0

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেছেন, সরকার বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের বাংলাদেশ অংশে সড়ক নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা শিবিরে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের দায়িত্ব সেনাবাহিনীকে দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বেড়া নির্মাণের প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে সেখানে। প্রথম পর্যায়ে উখিয়ার কুতুপালং ও টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা বড় ২টি ক্যাম্পে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ হবে। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করছি।

রোববার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে কক্সবাজারের রামু সেনানিবাসের ১০ পদাতিক ডিভিশনের ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি ৬ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন এবং ১৩ ও ১৪ বীরকে রেজিমেন্টাল কালার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাপ্রধান এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই প্রশংসনীয় কার্যক্রম প্রদর্শনের মাধ্যমে এসব রেজিমেন্ট রেজিমেন্টাল কালার পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। রেজিমেন্টাল কালার প্রাপ্তি যে কোনো ইউনিটের জন্য একটি বিরল সন্মান এবং পবিত্র আমানত।

এ সময় রামু ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মো. মাঈন উল্লাহ চৌধুরী, তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, সংসদ সদস্য জাফর আলম, এয়ার কমোডর মুহাম্মদ শাফকাত আলী, ডিজিএফআই কক্সবাজার অধিনায়ক কর্নেল আবুজার আল জাহিদ,

শরণার্থী ত্রাণ ও প্র’ত্যাবাসন কমিশনার মো. মাহবুব আলম তালুকদার, জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন, পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেনসহ ইউএনএইচসিআর, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, মুক্তিযো’দ্ধা, সুশীল সমাজের ব্যক্তিসহ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সস্তায় গৃহকর্মী-দারোয়ান-শ্রমিক হিসেবে রোহিঙ্গাদের কাজে লাগাচ্ছে স্থানীয়রা

এমনিতে বাসা বাড়িতে কাজের লোক পাওয়া যায় না। বেশিরভাগ দরিদ্র পরিবারের ছেলে মেয়েরা শহরে গার্মেন্টসে চাকরিতে যোগ দেয়। বিকল্প হিসেবে তাই গৃহকর্মী ও প্রতিষ্ঠানের দারোয়ান বা শ্রমিক হিসেবে রোহিঙ্গাদের রাখছে স্থানীয়রা। এতে খরচও কম, হুটহাট চাকরি ছেড়ে চলে যাওয়ারও সুযোগ কম।

আর এভাবে সহজেই স্থানীয়দের সাথে মিশে গিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে পারছে রোহিঙ্গারা। এমনকি দীর্ঘ পরিচয় সূত্রে অনেক নিম্ন আয়ের মানুষ রোহিঙ্গাদের সাথে বিয়ে বন্ধনেও আবন্ধ হচ্ছে বলে জানা গেছে।

কক্সবাজার শহরের কিছু আবাসিক এলাকার কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যাক্তির বাসায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এদের প্রত্যেকের গৃহকর্মী রোহিঙ্গা, এমনকি বাসার দারোয়ানটিও রোহিঙ্গা। অথচ তারা মাঝে-মধ্যে রোহিঙ্গাবিরো’ধী সমাবেশে কড়া-কড়া বক্তব্য দেয়। তাদের কথায় প্রায় উঠে আসে রোহিঙ্গাবিরো’ধী বক্তব্য, রোহিঙ্গাদের প্রতি-হত করার কথা। এই অবস্থা শুধু কিছু এলাকার নয়, ভাল করে জরিপ চালালে দেখা যাবে অনেকের ক্ষেত্রে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি উঠে আসবে।

শেয়ার করুন !
  • 2.1K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!