শীতে গরুর জন্য জ্যাকেটের বন্দোবস্ত করছেন বিজেপি নেতারা

0

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

শীতের বিষয়টি মাথায় রেখে গরুর জন্য পাটের জ্যাকেট কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের উত্তর প্রদেশের বিজেপি শাসিত অযোধ্যা পৌরসভা। শীতকালে শহরের খামারের গরুগুলোর ক’ষ্ট দূর করতে পৌর প্রশাসন এ পদক্ষেপ নিয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গরুর প্রতিটি জ্যাকেটের দাম ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা করে ধরেছে কর্তৃপক্ষ। প্রথম দফায় ১০০টি জ্যাকেট তৈরি করা হবে। আর সেগুলো নভেম্বরের মধ্যেই হাতে পাবে প্রশাসন।

অযোধ্যা নগর নিগমের কমিশনার নীরজ শুক্লা বলেন, আমরা গরুর জন্য জ্যাকেট কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ৩/৪টি পর্যায়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বৈশিংপুর গোশালা থেকে। এখানে ৭০০ ষাঁড়সহ মোট প্রায় ১২০০ গবাদিপশু আছে। প্রাথমিকভাবে গরুর বাছুরের জন্য ১০০টি জ্যাকেট কেনা হচ্ছে। বাকি জ্যাকেট পরে আরও কেনা হবে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, বাছুরদের জন্য যে জ্যাকেট তৈরি হচ্ছে তাতে ৩টি স্তর থাকবে। শেষ স্তরে পাটের পরিবর্তে অন্য কোনো গরম মোলায়েম কাপড় ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। এছাড়া গরু ও ষাঁড়ের জন্য তৈরি জ্যাকেটের নকশাও সম্পূর্ণ আলাদা। ষাঁড়ের জ্যাকেট শুধু পাটের তৈরি হবে। তবে গরুর জ্যাকেটে থাকবে দুটি স্তর।

এছাড়া শীতের মৌসুমে গরুর যাতে ক’ষ্ট না হয় সে জন্য প্রতিটি গোশালায় বনফায়ারের ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন। সেই সঙ্গে গোশালার মেঝেতে খড় বিছিয়ে দেয়া হবে। গরুর পরিষেবা দেয়া তাদের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানিয়েছে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।

বিদেশি গরু মা নয়, আন্টি, তার পুজায় কল্যাণ নাই: বিজেপি নেতা

বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, বিদেশ থেকে যে গরু আনা হয়, তা ‘হাম্বা’ স্বরে ডাকে না। আর যে গরু ‘হাম্বা’ স্বরে ডাকে না, সে গরু কখনই গো-মাতা নয়, ওটা আন্টি। আর আন্টির পুজো করে দেশের কল্যাণ হবে না।

গত ৪ নভেম্বর বর্ধমান শহরের টাউনহলে ‘ঘোষ এবং গাভীকল্যাণ সমিতি’র সভায় এ কথা বলেন তিনি।

দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, গরুর দুধে সোনার ভাগ থাকে। তাই দুধের রং হলুদ হয়। দেশি গরুর কুঁজের মধ্যে স্বর্ণ-নাড়ি থাকে। যাতে সূর্যের আলো পড়লে, সেখান থেকে সোনা তৈরি হয়। তারপর সেই সোনা অন্যান্য নালির মাধ্যমে গরুর দুধে চলে যায়।

এর আগে উত্তরাখণ্ডের বিজেপি মন্ত্রী রেখা আর্য দাবি করেছিলেন, গরুই একমাত্র পশু, যে শ্বাস গ্রহণের সময় শুধু অক্সিজেন গ্রহণ করে না, প্রশ্বাসের সঙ্গে তা পরিবেশে ফিরিয়েও দেয়।

বিজেপির আরেক সাংসদ সাধ্বী প্রজ্ঞা জানান, তিনি স্তন ক্যান্সারে আক্রা’ন্ত ছিলেন। গোমূত্র পান করে আর পঞ্চগব্য গ্রহণ করে নিজেকে সারিয়ে তুলেছেন। যদিও এ বক্তব্যের বিরো’ধিতা করে পাল্টা বক্তব্য দিয়েছিলেন তাকে চিকিৎসা করে সারিয়ে তোলা ক্যান্সার হাসপাতালের চিকিৎসকবৃন্দ।

শেয়ার করুন !
  • 29
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply