সীমান্ত দিয়ে যেন অনু-প্রবেশ না ঘটে, বিজিবিকে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

0

সময় এখন ডেস্ক:

দেশের বিভিন্ন এলাকার সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি মা’দক, চোরা-চালান বন্ধ ও অনু-প্রবেশ ঠেকাতে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডকে (বিজিবি) কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার ‘বিজিবি দিবস-২০১৯’ উপলক্ষে পিলখানা সদর দফতরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা সততা, দক্ষতা ও দেশপ্রেমে উদ্ভুদ্ধ হয়ে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। দেশ অর্থনৈতিকভাবে যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, সেই ধারা যেন অ’ব্যাহত থাকে।

এ সময়, সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি দুর্যোগকালীন উদ্ধার কার্যক্রম ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় বিজিবির প্রত্যক্ষ ভূমিকার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী সকাল ১০টায় পিলখানা সদর দপ্তরে আসেন। বিজিবি দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠানে মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং কূটনৈতিক কোরের সদস্যরা উপস্থিত হন।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী প্যারেড ও কুচকাওয়াজ পরিদর্শন এবং ৪টি কন্টিনজেন্টের সালাম গ্রহণ করেন। পরে, বিজিবিতে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বিজিবির ৬০ জন কর্মকর্তা এবং সদস্যদের পদক পরিয়ে দেন সরকার প্রধান।

এ ছাড়া দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে বীর-উত্তম ফজলুর রহমান খন্দকার মিলনায়তনে বিজিবি সদস্যদের বিশেষ দরবার গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

রাজাকারদের তালিকা করতে মুক্তিযু’দ্ধ মন্ত্রণালয়কে দেওয়া হয় ৬০ কোটি টাকা

মুক্তিযু’দ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় যে তালিকা প্রকাশ করেছে তা রাজাকার, আল-বদর, আল-শামসের তালিকা নয় বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বুধবার সচিবালয়ে নিজের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি হচ্ছে ১৯৭২ থেকে ১৯৭৩ সালের দালাল আইনে যাদের নামে মামলা হয়েছে তাদের নামের তালিকা। অনেকে শ’ত্রুতাবশতঃ অন্যের বিরু’দ্ধে মামলা করেছিল। সেই নামগুলোও এই তালিকায় আছে। এর মধ্যে ৯৯৬ জনকে বিভিন্ন অভিযোগ থেকে ছাড় দেওয়া হয়। আমরা তাদের নামের ওই তালিকাটিও নোট হিসেবে যুক্ত করে মুক্তিযু’দ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে পাঠিয়েছিলাম।

এমন একটি ঘটনায় ম’র্মাহত হয়েছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমি অবশ্যই মানসিকভাবে আহত হয়েছি। খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি করা হবে।

জানা গেছে, রাজাকারদের তালিকা করার জন্য মুক্তিযু’দ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে ৬০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। এই টাকা কোথায় খরচ হয়েছে সে বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।

১৫ ডিসেম্বর মুক্তিযু’দ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ১০ হাজার ৭৮৯ জন রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করে। সেই তালিকায় মুক্তিযো’দ্ধাদের নামও চলে আসে। এতে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। সবশেষ বিত’র্কিত এই তালিকা স্থ’গিত করে মুক্তিযু’দ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

শেয়ার করুন !
  • 1.5K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এই ওয়েবসাইটের যাবতীয় লেখার বিষয়বস্তু, মতামত কিংবা মন্তব্য– লেখকের একান্তই নিজস্ব। somoyekhon.net-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এর মিল আছে, এমন সিদ্ধান্তে আসার কোনো যৌক্তিকতাই নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে somoyekhon.net আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো প্রকার দায় বহন করে না।

Leave A Reply

error: Content is protected !!